
সচরাচর জিজ্ঞাসা
আমাদের কাজ, কাগজপত্র, প্রকল্প আর অংশীদারিত্ব নিয়ে সরাসরি উত্তর।
আমাদের মূল কাজ কৃষি ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসা। সানসিটি মাল্টি ফার্ম প্রাইভেট লিমিটেড ফসল উৎপাদন, খামার-ব্যবস্থাপনা, মৌসুমি ফল, মাছ, হাঁস, কলা, স্টেভিয়া, ভেষজ ও প্রাকৃতিক পণ্য, কৃষিপণ্যের মজুত ও বাণিজ্য, খাদ্যপণ্য এবং ই-কমার্স—নানা ধরনের কৃষি ও ব্যবসায়িক প্রকল্প পরিচালনা করে।
আমাদের কার্যক্রমের উদ্দেশ্য একটি সমন্বিত ব্যবসায়িক মূল্যশৃঙ্খল—কৃষি-উৎপাদন থেকে শুরু করে প্রক্রিয়াজাতকরণ, মজুত, পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় এবং অনলাইনভিত্তিক বিতরণ পর্যন্ত।
উৎপাদন → প্রক্রিয়াজাতকরণ → মজুত → পাইকারি → ই-কমার্স → বিতরণ → রপ্তানিআমাদের প্রধান খাদ্য ও কৃষিপণ্য
- ডালজাতীয় পণ্য
- সরিষার তেল
- নারিকেল তেল
- সুন্দরবনের মধু
- লাল আখের চিনি
- লাল আটা ও ফাইবার আটা
- লাল চাল
- কাঁচা ও শুকনা হলুদ
- গুঁড়া মসলা — মরিচ, হলুদ, ধনিয়া ও মিক্সড মসলা
স্বাস্থ্য ও প্রাকৃতিক পণ্য
- যবের ছাতু ও তালবিনা
- র্গানিক স্পিরুলিনা পাউডার — নিজস্ব উৎপাদন
- র্গানিক স্টেভিয়া পাউডার — নিজস্ব উৎপাদন
- লেমনগ্রাস চা — নিজস্ব উৎপাদন
আমাদের নিজস্ব প্রাণিজ পণ্য
- র্গানিক হাঁস — নিজস্ব উৎপাদন
- র্গানিক দেশি মুরগি — নিজস্ব উৎপাদন
আমাদের মূল লক্ষ্য নিজস্ব কৃষি-উৎপাদন বাড়ানো, মানসম্মত কৃষি ও খাদ্যপণ্য বাজারজাত করা, কৃষকদের সঙ্গে কাজ করা এবং ধীরে ধীরে একটি শক্তিশালী কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ও বিপণন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা।
জি, আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট suncitybd.com।
এছাড়া বিনিয়োগকারীদের জন্য আমাদের আলাদা একটি ইনভেস্টর পোর্টাল রয়েছে, যেখানে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত তথ্য ও হালনাগাদ পাওয়া যায়।
ইনভেস্টর লগইনসাধারণ বিনিয়োগ প্রক্রিয়াটি এরকম:
- কোম্পানি ও প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করুন।
- কোম্পানি ও প্রকল্পের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করুন।
- প্রকল্পের আর্থিক ও ব্যবসায়িক পরিকল্পনা পর্যালোচনা করুন।
- ঙ্ক এবং প্রকল্পের শর্ত নির্ধারণ করুন।
- নিজের পরিচয় ও প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিন।
- বিনিয়োগ চুক্তি সম্পন্ন করুন।
- র্থ স্থানান্তর করুন।
- বিনিয়োগের নিশ্চিতকরণ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গ্রহণ করুন।
- ংশ পরিশোধ করা হয়।
বিনিয়োগের আগে প্রকল্প, কাগজপত্র, আর্থিক তথ্য, সম্ভাব্য ঝুঁকি ও চুক্তির শর্ত যাচাই করে নিয়ে তবেই সিদ্ধান্ত নিন—এটাই আমাদের পরামর্শ।
সাধারণত নিচের কাগজপত্র ও তথ্য প্রয়োজন হয়:
- নুলিপি
- পাসপোর্ট সাইজের ছবি
- মোবাইল নম্বর
- বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা
- প্রয়োজনীয় ব্যাংক হিসাবের তথ্য
- নমিনির নাম, এনআইডি ও প্রয়োজনীয় তথ্য
- র্থের উৎস-সংক্রান্ত তথ্য
প্রয়োজনে আরও কাগজপত্র বা তথ্য চাওয়া হতে পারে। চুক্তি সম্পন্ন করার আগে সব তথ্য ও কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
হ্যাঁ। বিনিয়োগকারীদের জন্য আমাদের আলাদা একটি অনলাইন ইনভেস্টর পোর্টাল আছে। এর মাধ্যমে প্রত্যেক বিনিয়োগকারী কেবল নিজের তথ্য দেখতে পারেন:
- বিনিয়োগের পরিমাণ
- লাভ-ক্ষতির হিসাব
- লেনদেন ও উত্তোলনের ইতিহাস
- স্টেটমেন্ট, বিনিয়োগ চুক্তি ও সনদ
এছাড়া প্রত্যেক বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ-নথি, চুক্তিপত্র, লেনদেনের রেকর্ড এবং মুনাফা ও নিষ্পত্তির হিসাব আমরা সংরক্ষণ করি।
প্রকল্প ও চুক্তির ধরন অনুযায়ী বিনিয়োগকারী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাবেন। সাধারণত এগুলো দেওয়া হতে পারে:
- ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে বিনিয়োগ চুক্তিপত্র
- র্থ গ্রহণের নিশ্চয়তাপত্র
- নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে কোম্পানির ব্যাংক চেক
- কোম্পানি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- প্রকল্পের প্রোফাইল
- লাভ বণ্টনের শর্তাবলি
- নিরাপত্তা-সংক্রান্ত কাগজপত্র
- গ্যারান্টরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র — প্রযোজ্য ক্ষেত্রে
- প্রকল্প/সম্পদ-সংক্রান্ত কাগজপত্র — প্রযোজ্য ক্ষেত্রে
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কাগজপত্রও চুক্তি ও প্রকল্পের ধরন অনুযায়ী প্রদান করা হতে পারে।
বাজারদর, উৎপাদন, আবহাওয়া, রোগবালাই, পরিবহন ও অন্যান্য নানা কারণে কৃষি ও ব্যবসায়ভিত্তিক প্রকল্পে ক্ষতি হতে পারে। তবে একটি প্রকল্পে ক্ষতি মানেই পুরো কোম্পানির ক্ষতি নয়—আমাদের প্রকল্প ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমগুলো আলাদাভাবে পরিচালিত হয়।
কোনো প্রকল্প প্রত্যাশিত ফল না দিলে আমরা:
- প্রকল্পের প্রকৃত আয়-ব্যয় পর্যালোচনা করি
- বস্থা নিরূপণ করি
- নুযায়ী বিনিয়োগকারীর সঙ্গে বিষয়টি আলোচনা করি
- প্রয়োজনে আপসরফা বা সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিই
প্রয়োজনে বিনিয়োগকারীর প্রাপ্য অন্যান্য চলমান ব্যবসার আয় থেকে সমন্বয়ের সম্ভাবনাও আলোচনা করা যেতে পারে। প্রকৃত ব্যবসায়িক হিসাবের ভিত্তিতে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে আলোচনা করা এবং সমাধানের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করাই আমাদের নীতি।
ব্যবসায়িক অর্থায়নে আমরা সুদভিত্তিক ঋণের চেয়ে বিনিয়োগভিত্তিক অর্থায়নকে বেশি গুরুত্ব দিই। এর অন্যতম প্রধান কারণ হালাল-হারামের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সুদভিত্তিক আর্থিক ব্যবস্থা এড়িয়ে চলার চেষ্টা। আমরা বিনিয়োগকে বাস্তব কৃষি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করে লাভ-ক্ষতির অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই—অর্থাৎ সুদযুক্ত ঋণের বদলে বাস্তব ও সম্পদভিত্তিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণ করাই আমাদের লক্ষ্য।
সানসিটি মাল্টি ফার্ম প্রাইভেট লিমিটেড কৃষি, খামার, খাদ্যপণ্য, মজুত, ই-কমার্সসহ বাস্তব ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করে। আমাদের ব্যবসায়িক নীতিতে সুদ বর্জন ও হালাল ব্যবসা পরিচালনাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট সুদ বা নিশ্চিত রিটার্ন দেওয়ার বদলে বাস্তব ব্যবসার লাভ-ক্ষতিতে অংশ নিয়ে মুনাফা বণ্টন করাই আমাদের লক্ষ্য।
আমাদের মূল নীতি
- সুদ বর্জন
- হালাল ও বৈধ পণ্য ও ব্যবসা
- বাস্তব ও সম্পদভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম
- স্বচ্ছ ও লিখিত চুক্তি
- প্রকৃত ব্যবসায়িক ফলাফলের ভিত্তিতে মুনাফা বণ্টন
- বিনিয়োগের ঝুঁকি এবং লাভ-ক্ষতির বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ
তবে কোনো নির্দিষ্ট বিনিয়োগ চুক্তি শরিয়াহসম্মত কি না, তা নির্ভর করে চুক্তির শর্ত, ঝুঁকির কাঠামো, লাভ-ক্ষতি বণ্টন এবং প্রকৃত ব্যবসায়িক কাঠামোর ওপর। চূড়ান্ত শরিয়াহ-মূল্যায়নের জন্য একজন যোগ্য আলেম বা শরিয়াহ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
জি। সানসিটি মাল্টি ফার্ম প্রাইভেট লিমিটেড একটি নিবন্ধিত লিমিটেড কোম্পানি। আমাদের ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমাদের রয়েছে, যেমন:
- কোম্পানি নিবন্ধনের কাগজপত্র
- ট্রেড লাইসেন্স
- টিআইএন সনদ
- ভ্যাট/বিআইএন-সংক্রান্ত কাগজপত্র
- কর ও ভ্যাট-সংক্রান্ত কাগজপত্র
- ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- ন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি
কাগজপত্র যাচাই
বিনিয়োগের আগে আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা আমাদের অফিসে এসে মূল কাগজপত্র দেখে নিতে পারেন। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন/ভ্যাটসহ অন্যান্য তথ্য যাচাইয়ের সুযোগও থাকবে। বিনিয়োগের আগে কাগজপত্র যাচাই ও প্রকল্প পরিদর্শনে আমরা উৎসাহ দিই, যাতে বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শেষে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
আমাদের কার্যক্রম ও প্রকল্প বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিচালিত হচ্ছে—গাজীপুর, পাবনা, নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর ও ঢাকা। এর মধ্যে গাজীপুরে প্রায় ২০ বিঘা জমিতে আমাদের একটি প্রকল্প রয়েছে, যা ১০ বছরের চুক্তির আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনে বিনিয়োগকারীরা প্রকল্প ঘুরে দেখতে এবং সরেজমিনে যাচাই করতে পারেন।
- মিল ও কারখানা — রাজশাহী সদর, রাজশাহী
- সরিষার তেল সরবরাহ কেন্দ্র — উত্তরা সেক্টর ১১, সড়ক ১৩, ঢাকা
- ফিস — জাঙ্গালিয়া, কালীগঞ্জ, গাজীপুর (মোট জমি ২০ বিঘা)। চলমান: স্টেভিয়া, কলা, লেবু, বীজহীন জাত, মাছ। আসন্ন: ছাগল, মাছ ও হাঁস, লেমনগ্রাস, দেশি মুরগি, ঔষধি গাছ
- প্রকল্প ৪ — রূপপুর, পাকশী, ঈশ্বরদী, পাবনা: পেঁয়াজ, লিচু, গাজর ও সবজি
- প্রকল্প ৫ — বিলমারীর চর, লালপুর, নাটোর: কলা
- প্রকল্প ৬ — রাজাপুর, বড়াইগ্রাম, নাটোর: মাছ ও কলা
- প্রকল্প ৭ — ফরিদপুর সদর, ফরিদপুর (মেয়াদ বাকি ৪ বছর): চারা, ক্যাস্টর, পেঁপে
- প্রকল্প ৮ — বাংলাদেশ বেতার, সাভার: দরপত্র সম্পন্ন, হস্তান্তর ফেব্রুয়ারি ২০২৭; ১২ বিঘা (ক্যাস্টর, পেঁপে, কলা ও লেমনগ্রাস)
অবশ্যই। আমাদের চলমান ও সম্পন্ন প্রকল্পের ফার্ম, জমি, পুকুর, উৎপাদন কার্যক্রম, ফসল, স্টক, গুদাম ও অন্যান্য ব্যবসায়িক কার্যক্রমের ছবি ও ভিডিও রয়েছে।
প্রজেক্ট সম্পর্কে ধারণা পেতে আমাদের Google Drive Project Gallery দেখতে পারেন:
প্রজেক্ট গ্যালারি দেখুনপাশাপাশি, প্রযোজ্য প্রকল্পে লাইভ সিসি ক্যামেরার ফুটেজও দেখানো হবে।
এছাড়া আগ্রহী বিনিয়োগকারীরা পূর্বনির্ধারিত সময়ে সরাসরি প্রকল্প পরিদর্শন (Project Visit) করে প্রকল্পের কার্যক্রম ও বাস্তব অবস্থা যাচাই করতে পারবেন।
মুনাফা বণ্টনের হার প্রকল্পভেদে ভিন্ন। আমাদের ক্ষেত্রে এটি নির্দিষ্ট হারের সুদ বা নিশ্চিত আরওআই নয়; বরং প্রকল্পের ব্যবসায়িক ফলাফল ও চুক্তির শর্তের ভিত্তিতে মুনাফার একটি অংশ (প্রফিট শেয়ার) দেওয়া হয়।
- ংশ সাধারণত ৩% থেকে ৫% হতে পারে।
- ংশ গড়ে প্রায় ৩.৫% হতে পারে।
প্রত্যাশিত আরওআই: ১৮%–২২%। এটি শুধু প্রত্যাশা, কোনো প্রতিশ্রুতি বা নিশ্চয়তা নয়; প্রকৃত ফলাফল নির্ভর করে প্রকল্পের বাস্তব ব্যবসায়িক ফল ও চুক্তির শর্তের ওপর।
তাই ৩%–৫% কে নিশ্চিত মাসিক আরওআই হিসেবে গণ্য করা ঠিক নয়। প্রকৃত মুনাফা নির্ধারিত হবে প্রকল্পের আয়-ব্যয়, ব্যবসায়িক ফলাফল ও সংশ্লিষ্ট চুক্তির শর্ত অনুযায়ী। সংক্ষেপে: আমরা প্রফিট শেয়ার দিই; এটি নিশ্চিত আরওআই বা নির্দিষ্ট সুদ নয়।
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে প্রকল্প অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ও ব্যবসায়িক নথি দেওয়া হয়। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী পেতে পারেন:
- কোম্পানির চেক
- জামিনদারের চেক
- স্ট্যাম্পে সম্পাদিত চুক্তিপত্র
- কোম্পানির আইনি নথি
- ট্রেড লাইসেন্স, কর ও ভ্যাট-সংক্রান্ত নথি
- ন্যান্য নথি
বিনিয়োগের আগে বিনিয়োগকারী এসব কাগজপত্র যাচাই করার সুযোগ পাবেন। তবে ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ঝুঁকিমুক্ত কিংবা মুনাফা শতভাগ নিশ্চিত—এমন দাবি আমরা করি না। বিনিয়োগের ফল নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও চুক্তির শর্তের ওপর।
বর্তমানে আমরা কৃষি, খামার, খাদ্যপণ্য, মজুত, ই-কমার্সসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতে একাধিক প্রকল্প পরিচালনা করছি:
- কলা প্রকল্প — কলার চাষ ও উৎপাদন
- স্টেভিয়া প্রকল্প — স্টেভিয়া চাষ ও প্রাকৃতিক মিষ্টি উপাদান উৎপাদন
- নলাইন ব্যবসা
- মৌসুমি ফল প্রকল্প — লিচু, আম, কাঁঠাল, তরমুজসহ মৌসুমি ফলের ব্যবসা
- পেঁয়াজ প্রকল্প — পেঁয়াজ উৎপাদন, সংগ্রহ ও মজুত
- মাছ প্রকল্প — মাছ চাষ ও উৎপাদন
- হাঁস প্রকল্প — হাঁস পালন ও উৎপাদন
- ঔষধি উদ্ভিদ প্রকল্প — ঔষধি ও উপকারী গাছের চাষ
- দেশি মুরগি প্রকল্প — দেশি মুরগি পালন ও উৎপাদন
- বিএসএফ প্রকল্প — ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই উৎপাদন ও কৃষিতে এর ব্যবহার
- সরকারি প্রকল্প — সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতাভিত্তিক কার্যক্রম
- লাভজনক প্রকল্প — হজ, কোরবানি ও ই-টিকিটিংসহ জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম
আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য কৃষি ও খাদ্যপণ্যভিত্তিক একটি সমন্বিত ব্যবসায়িক মূল্যশৃঙ্খল গড়ে তোলা:
উৎপাদন → প্রক্রিয়াজাতকরণ → মজুত → পাইকারি → ই-কমার্স → বিতরণ → রপ্তানিআমাদের প্রকল্পে নিজস্ব ও লিজ নেওয়া—দুই ধরনের জমিই ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে প্রকল্পের বেশিরভাগ জমি দীর্ঘমেয়াদি লিজ বা চুক্তির ভিত্তিতে চালানো হচ্ছে। লিজ নেওয়া জমির ক্ষেত্রে জমির মালিকের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করা হয়, যাতে লিজের মেয়াদ, জমির পরিমাণ, ব্যবহার, লিজমূল্য, নবায়নের শর্ত এবং উভয় পক্ষের অধিকার ও দায়িত্ব স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।
যেমন, গাজীপুরের প্রায় ২০ বিঘা জমি ১০ বছরের চুক্তির আওতায় প্রকল্পের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। চুক্তির মেয়াদ শেষে প্রকল্পের প্রয়োজন, জমির মালিকের সম্মতি ও চুক্তির শর্ত অনুযায়ী লিজ নবায়ন করা হয় কিংবা প্রকল্প অন্য জমিতে সরিয়ে নেওয়া হয়। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের লিজ চুক্তি ও জমির কাগজপত্র যাচাইয়ের জন্য বিনিয়োগকারীদের দেখানো যেতে পারে।
সামনাসামনি কিংবা ফোনে যেকোনো বিষয় বুঝিয়ে বলতে আমাদের দল সানন্দে প্রস্তুত। আমাদের লিখে জানান